নিজস্ব প্রতিনিধি।
বাংলাদেশে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, এবং জাতীয় দৈনিক বাংলার তথ্য পত্রিকার সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক সময়ের কথা পত্রিকার বরিশাল বিভাগীয় প্রধান ও স্থানীয় জনপ্রিয় দৈনিক ভোলা টাইমস পত্রিকার রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব ও কর্তব্যের সাথে সাংবাদিকতা করে আসছিলেন দীর্ঘ দিন ধরে।তিনি এমন একজন সাংবাদিক যার নাম শুনলে অপরাধীরা ভয়ে কাঁপতে থাকে এবং অনিয়ম করা থেকে বিরত থাকে।
এক পর্যায়ে ভোলা জেলা সহকারে বাংলাদেশের অনেক জেলা, উপজেলা এবং বিভিন্ন স্থানে তার সুনাম ও খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু তার সাংবাদিকতার এই সফলতা দেখে অনেকেই তার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন,আবার অনেকে তারই সফলতা বা অর্জনকে মেনে নিতে না পেরে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছেন।তার স্ব-ভাব ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা ও সাধারণ মানুষের উপকার করা এবং তাদের ন্যায্য অধিকার সম্পর্কে তাদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা। শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষা অফিসার থেকে শুরু করে,শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রতি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিভিন্ন মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করে দেওয়া।ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে যাতে সাধারণ জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার বুঝে পেতে তাদেরকে সচেতন করে তোলা যাতে করে সরকার থেকে অসহায় লোকজনদের জন্য যে বরাদ্দ আসে তা তাদেরকে পাইয়ে দেয়া। যারা থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবায় যাতে সাধারণ জনগণ যাতে সঠিকভাবে চিকিৎসা পায়,সে ব্যবস্থা করা। জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ভূমি অফিসগুলোতে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি করতে না পারে সেক্ষেত্রে সেবা প্রার্থীদেরকে সচেতন করে তোলা।এছাড়াও থানাগুলোতে এবং পুলিশ ফাঁড়িতে সাধারণ জনগণ যাতে সঠিক ভাবে সেবা পায় তার সু-ব্যবস্থা করা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা। এছাড়াও এক জন অন্য জনের জমি জমা জোর পূর্বক জবর দখল করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করা।এছাড়াও সমাজে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের সহায়তা করা ছাড়াও অন্যায় মূলক কাজগুলোকে তার কলমের মাধ্যমে বাধা প্রদান করা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে দেওয়া সহকারে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করা। যার ফলস্বরূপ তার একাধিক শত্রু তৈরি হয়।যার ফলে অনেক ক্ষমতাশীল ব্যক্তিরা যেমন-এমপি, মন্ত্রী,চেয়ারম্যান ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য (পুলিশ প্রশাসন) সহকারে বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা তার উপরে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে পায়তারা দিচ্ছে।একপর্যায়ে ক্ষেপে গিয়ে একবার তাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি বেঁচে যান তবে একটি বছর তাকে হসপিটালের বেডে শুয়ে দিন কাটাতে হয়েছিল। তারপরেও তার সত্যের কলম থেমে থাকেনি ।সে অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার কলম চালিয়ে গিয়েছিল।
দীর্ঘ এক বছর হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকার পরও সে যখন মোটামুটি সুস্থ হয়,তখন আবারও সে প্রাণের মায়া ত্যাগ করে, এদেশের সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে অন্যায় এবং অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে তার কলমের মাধ্যমে লেখালেখি চালিয়ে যান। যার ফলে একদল মুখোশধারী লোক তার পূর্বের ন্যায় ক্ষতি করার জন্য উঠে পড়ে লাগে এবং তাকে কোথায় কিভাবে বেকায়দায় ফেলে ক্ষতি করা যায়,কিভাবে তার পুনরায় হামলা করা যায়, এবং সুযোগ বুঝে মেরে ফেলা যায়,সেই চিন্তায় সবসময় ব্যস্ত থাকে। যার ফল স্বরুপ মোঃ জুয়েল মাষ্টারকে গত ০৭/০৯/২০২৫ ইং তারিখে একটি মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয় ।
এই মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সাংবাদিক মহলের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং পাশাপাশি এই মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এইচ এম এরশাদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মারজান বেগম
প্রধান কার্যালয় উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টর হাউস নাম্বার ১২ ঢাকা ১০৩০
অস্থায়ী কার্যালয় উপশহর বাংলাবাজার পুলিশ ফাঁড়ি গেট দৌলতখান ভোলা
01712728201
All rights reserved © 2025